Summary
বাংলা ভাষার অভিধান রচনার প্রথম চেষ্টা করেন খ্রিষ্টান মিশনারি মানুএল দা আসসুম্পসাঁউ, যে তাঁর বাংলা-পোর্তুগিজ শব্দকোষ ১৭৪৩ সালে প্রকাশ করেন। তবে ১৮১৭ সালে প্রকাশিত রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশের বঙ্গভাষাভিধানকে প্রথম বাংলা অভিধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরপর বহু বাংলা অভিধান প্রকাশিত হয়েছে এবং বাংলা একাডেমির অবদান এখানে গুরুত্বপূর্ণ। তারা বিভিন্ন বিশেষায়িত অভিধানও প্রকাশ করেছে, যেমন বানান, উচ্চারণ, বিজ্ঞান, ঐতিহাসিক এবং বাংলা-ইংরেজি দ্বিভাষিক অভিধান।
বাংলা ভাষার অভিধান রচনার প্রথম চেষ্টা করেন খ্রিষ্টান মিশনারি মানুএল দা আসসুম্পসাঁউ। তাঁর রচিত বাংলা-পোর্তুগিজ ভাষার শব্দকোষ (Vocabulario em idioma Bengala e Portugez) গ্রন্থটি ১৭৪৩ খ্রিষ্টাব্দে পোর্তুগালের রাজধানী লিসবন থেকে প্রকাশিত হয়। কিন্তু ১৮১৭ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ প্রণীত বঙ্গভাষাভিধান-কে প্রথম বাংলা অভিধান হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীকালে বহু বাংলা অভিধান প্রকাশিত হয়েছে এবং এখনো প্রকাশিত হচ্ছে। বাংলাদেশে অভিধান প্রণয়নে বাংলা একাডেমির অবদান গুরুত্বপূর্ণ। ইতোমধ্যে বাংলা একাডেমি থেকে বাংলা ভাষার অভিধান ছাড়াও বেশ কিছু বিশেষায়িত অভিধান; যেমন- বানান অভিধান, উচ্চারণ অভিধান, বিজ্ঞান অভিধান, ঐতিহাসিক অভিধান, বাংলা-ইংরেজি দ্বিভাষিক অভিধান ইত্যাদি প্রকাশিত হয়েছে।